ই–ক্যাব নির্বাচন ২০২৫–২০২৭
আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকারে আমি যা নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী—
১. ট্রেড লাইসেন্সে "ই–কমার্স" অন্তর্ভুক্ত:
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্সে “ই–কমার্স” ক্যাটাগরি অন্তর্ভুক্তিতে সহযোগিতা করব।
২. সদস্যদের সবার সাথে মতবিনিময়ের সুযোগ:
সদস্যদের অভিযোগ ও চ্যালেঞ্জ সরাসরি জানার লক্ষ্যে অন্ততপ্রতি মাসে ভার্চুয়াল/ফিজিক্যাল মতবিনিময় সভার আয়োজন করব।
৩. সরকারি প্রকল্পসমূহে সদস্যদের পূর্ণ অংশগ্রহণ:
সরকারি ও আধা-সরকারি ই–কমার্স উদ্যোগগুলোতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সহযোগিতা চাইব।
৪. দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ:
উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা রাখব।
৫. নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও অনুপ্রেরণা:
নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ই–কমার্স উৎসব, ক্যাম্পেইন ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বিত প্রোগ্রাম চালু করব।
৬. ডেলিভারি চার্জ রেট কমাতে উদ্যোগ:
ঢাকার বাইরের উদ্যোক্তাদের পণ্য পরিবহন খরচ কমানোর জন্য কুরিয়ার ও লজিস্টিক পার্টনারদের সাথে সমন্বয় করব।
৭. আইনি অধিকার ও স্থায়ী অফিস সেবা:
সদস্যদের জন্য আইনগত সহায়তা ও স্বল্পমূল্যে ব্যবসার জন্য অফিস সুবিধা (ভাড়া/শেয়ার্ড স্পেস) চালু করব।
৮. সহজ শর্তে সদস্যদের ব্যাংক ঋণ সহায়তা:
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ে সহজ ও দ্রুত ঋণ প্রাপ্তিতে সহায়তা করব।
৯. ই–কমার্স হাব ও এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট ডেস্ক:
অঞ্চলভিত্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য “জোনাল ই–কমার্স হাব” গঠনের প্রচেষ্টা। ফুলফিলমেন্ট সুবিধাসহ “ই–কমার্স ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট ডেস্ক” প্রতিষ্ঠা।
১০. সেন্ট্রাল ই–কমার্স পার্ক গঠন:
দীর্ঘমেয়াদে ই–কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় মাপের সেন্ট্রাল ই–কমার্স পার্ক তৈরির পরিকল্পনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখব।
১১. ভ্যাট–ট্যাক্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম:
কর ও ভ্যাট নিয়ে সচেতনতা এবং সহায়তার জন্য একটি আলাদা সেল গঠন করব।