"Placing my faith in Allah, I seek to achieve success in this life and the Hereafter."
"Placing my faith in Allah, I seek to achieve success in this life and the Hereafter."
আমি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (সাইফুল করিম), ম্যানেজিং ডিরেক্টর-মহাসাগর গ্রুপ, সভাপতি- পজিটিভ নেটওয়ার্ক, সেক্রেটারি- আস-সাদাকা ফাউন্ডেশন, ডিরেক্টর- JCI ঢাকা পাইওনিয়ার, ২০২৫-২০২৭ পরিচালক প্রার্থী- ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (e-CAB), সক্রিয় সদস্য- বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন। আমার জন্মস্থান লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা। শিক্ষাজীবন শুরু করি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে, যেখানে অনার্স শেষ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন কেপ-এ...
আমি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (সাইফুল করিম), ম্যানেজিং ডিরেক্টর-মহাসাগর গ্রুপ,
সভাপতি- পজিটিভ নেটওয়ার্ক,
সেক্রেটারি- আস-সাদাকা ফাউন্ডেশন,
ডিরেক্টর- JCI ঢাকা পাইওনিয়ার,
২০২৫-২০২৭ পরিচালক প্রার্থী- ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (e-CAB),
সক্রিয় সদস্য- বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন।
আমার জন্মস্থান লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা। শিক্ষাজীবন শুরু করি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে, যেখানে অনার্স শেষ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন কেপ-এ সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যয়ন করি। বাবার অকালমৃত্যুর পর শৈশব থেকেই সংগ্রামী জীবনের সূচনা করি এবং সততা ও নিষ্ঠার সাথে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। বর্তমানে আমি মহাসাগর গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। পাশাপাশি, মিরপুরের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম পজিটিভ নেটওয়ার্কের সভাপতি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৯ সাল থেকে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (e-CAB)-এর সক্রিয় সদস্য হিসেবে ডিজিটাল কমার্সের অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছি। আমি JCI ঢাকা পাইওনিয়ার-এর একজন ডিরেক্টর হিসেবে যুব নেতৃত্ব ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছি। এছাড়াও, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাথে যুক্ত থেকে মানবাধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখছি। সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আমার আন্তরিক অংশগ্রহণ রয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আস-সাদাকা ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে পথশিশু, দরিদ্র ও অসুস্থ মানুষের সেবায় নিবেদিত আছি। অতীতে আমি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, লক্ষ্মীপুর জেলা সাহিত্য সংসদ, প্রথম আলো পাঠক ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছি। আমি কোয়ান্টাম মেথডের গ্র্যাজুয়েট, যা আমাকে আত্মউন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করেছে। ব্যক্তিগত জীবনে আমি এক ছেলে ও এক মেয়ের গর্বিত পিতা। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে আমি ষষ্ঠ এবং ভাইদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট।
২০১৯ সাল থেকে ই-ক্যাবের সদস্য হিসেবে সক্রিয়। এই দীর্ঘ সময়জুড়ে ই-ক্যাবের কার্যক্রমে আন্তরিকভাবে যুক্ত থেকে সদস্যদের কল্যাণে কাজ করেছি। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অংশগ্রহণ:- ২০২২ ২০২৪ মেয়াদে দুইটি স্ট্যান্ডিং কমিটিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছি। নীতিনির্ধারণ, সদস্য উন্নয়ন ও সুশাসনে অবদান রেখেছি। মহামারিকালে সাহসী ভূমিকা:- করোনা মহামারিকালে ব্যবসা সচল রেখে উদাহরণ স্থাপন করেছি। এই সাহসী ভূমিকায় eCMA...
২০১৯ সাল থেকে ই-ক্যাবের সদস্য হিসেবে সক্রিয়। এই দীর্ঘ সময়জুড়ে ই-ক্যাবের কার্যক্রমে আন্তরিকভাবে যুক্ত থেকে সদস্যদের কল্যাণে কাজ করেছি।
গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অংশগ্রহণ:-
২০২২ ২০২৪ মেয়াদে দুইটি স্ট্যান্ডিং কমিটিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছি। নীতিনির্ধারণ, সদস্য উন্নয়ন ও সুশাসনে অবদান রেখেছি।
মহামারিকালে সাহসী ভূমিকা:- করোনা মহামারিকালে ব্যবসা সচল রেখে উদাহরণ স্থাপন করেছি। এই সাহসী ভূমিকায় eCMA অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের হাত থেকে।
স্পন্সরশিপ ও সহযোগিতা:- ই-ক্যাবের পঞ্চম বর্ষপূর্তি ম্যাগাজিনে মহাসাগর গ্রুপের পূর্ণ পৃষ্ঠার বিজ্ঞাপন।
বিভিন্ন মিটআপ, প্রোগ্রামে নিয়মিত স্পন্সরশিপ।
র‍্যাফেল ড্রতে সদস্যদের উপহার দিয়ে উৎসাহ প্রদান।
ক্রিয়াশীল সামাজিক অংশগ্রহণ:- ২০২১ সালের ই-ক্যাব পিকনিকে ক্রিকেট ফাইনালে মহাসাগর গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। পিকনিকের চাল ডাল ও পোস্ট অফিস দলের বিপক্ষে চূড়ান্ত ম্যাচে মহাসাগর গ্রুপ জয় লাভ করেছেন।
প্রযুক্তিগত সহায়তা:- ই-ক্যাবের উদ্যোক্তাদের জন্য মহাসাগর আইটি সলিউশন থেকে বিশেষ ডিসকাউন্টে ওয়েবসাইট সেবা প্রদান।
মহাসাগর গ্রুপঃ- একজন সাহসী উদ্যোক্তার হাত ধরে গড়া বহুমুখী প্রতিষ্ঠান একটি স্বপ্ন থেকে শুরু, ২০১৭ সালে মাত্র ৫,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে যাত্রা শুরু। আজ, মহাসাগর গ্রুপ একটি সম্মানিত মাল্টি-সেক্টর বিজনেস ব্র্যান্ড। প্রধান উদ্যোগসমূহ: মহাসাগর ডটকমঃ- জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, যা অনলাইন কেনাকাটাকে গ্রাহকের দোরগোড়ায় এনেছে। মহাসাগর আইটি সলিউশনঃ- ১০০০+ ক্লায়েন্ট, ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ আইটি সাপোর্ট।...
মহাসাগর গ্রুপঃ- একজন সাহসী উদ্যোক্তার হাত ধরে গড়া বহুমুখী প্রতিষ্ঠান
একটি স্বপ্ন থেকে শুরু,
২০১৭ সালে মাত্র ৫,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে যাত্রা শুরু। আজ, মহাসাগর গ্রুপ একটি সম্মানিত মাল্টি-সেক্টর বিজনেস ব্র্যান্ড।
প্রধান উদ্যোগসমূহ:
মহাসাগর ডটকমঃ- জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, যা অনলাইন কেনাকাটাকে গ্রাহকের দোরগোড়ায় এনেছে।
মহাসাগর আইটি সলিউশনঃ-
১০০০+ ক্লায়েন্ট, ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ আইটি সাপোর্ট। NSDA-স্বীকৃত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চালু।
রোব বাংলাদেশ এবং মালাবিস ফ্যাশনঃ-
নিজস্ব ৩টি শোরুমসহ কোয়ালিটিতে অনন্য দুইটি ফ্যাশন ব্র্যান্ড, সাধারণ পোশাক ও প্রিমিয়াম পাঞ্জাবি।
মহাসাগর ড্রপশিপিংঃ-
২০০০+ সেলারদের জন্য সফল ড্রপশিপিং প্ল্যাটফর্ম। উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা।
আপন কমিউনিটিঃ- (Real Estate & Planned City)
ঢাকার গাবতলীতে ৪০০ শতক জমিতে আধুনিক পরিকল্পিত শহর নির্মাণের চলমান প্রকল্প।
আল আযহার ইনস্টিটিউট বাংলাদেশঃ-
আল-আযহার ইউনিভার্সিটি কারিকুলামে পরিচালিত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
আস-সাদাকা ফাউন্ডেশনঃ-
সমাজসেবা ও মানবকল্যাণে নিবেদিত একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান।একটাই লক্ষ্য
দেশীয় উদ্যোক্তাদের সুযোগ সৃষ্টি, মানসম্মত সেবা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা।
ই–ক্যাব নির্বাচন ২০২৫–২০২৭ আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকারে আমি যা নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী— ১. ট্রেড লাইসেন্সে "ই–কমার্স" অন্তর্ভুক্ত: সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্সে “ই–কমার্স” ক্যাটাগরি অন্তর্ভুক্তিতে সহযোগিতা করব। ২. সদস্যদের সবার সাথে মতবিনিময়ের সুযোগ: সদস্যদের অভিযোগ ও চ্যালেঞ্জ সরাসরি জানার লক্ষ্যে অন্ততপ্রতি মাসে ভার্চুয়াল/ফিজিক্যাল মতবিনিময় সভার আয়োজন করব। ৩. সরকারি প্রকল্পসমূহে সদস্যদের পূর্ণ অংশগ্রহণ: সরকারি ও...
ই–ক্যাব নির্বাচন ২০২৫–২০২৭
আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকারে আমি যা নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী—
১. ট্রেড লাইসেন্সে "ই–কমার্স" অন্তর্ভুক্ত:
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্সে “ই–কমার্স” ক্যাটাগরি অন্তর্ভুক্তিতে সহযোগিতা করব।
২. সদস্যদের সবার সাথে মতবিনিময়ের সুযোগ:
সদস্যদের অভিযোগ ও চ্যালেঞ্জ সরাসরি জানার লক্ষ্যে অন্ততপ্রতি মাসে ভার্চুয়াল/ফিজিক্যাল মতবিনিময় সভার আয়োজন করব।
৩. সরকারি প্রকল্পসমূহে সদস্যদের পূর্ণ অংশগ্রহণ:
সরকারি ও আধা-সরকারি ই–কমার্স উদ্যোগগুলোতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সহযোগিতা চাইব।
৪. দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ:
উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা রাখব।
৫. নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও অনুপ্রেরণা:
নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ই–কমার্স উৎসব, ক্যাম্পেইন ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বিত প্রোগ্রাম চালু করব।
৬. ডেলিভারি চার্জ রেট কমাতে উদ্যোগ:
ঢাকার বাইরের উদ্যোক্তাদের পণ্য পরিবহন খরচ কমানোর জন্য কুরিয়ার ও লজিস্টিক পার্টনারদের সাথে সমন্বয় করব।
৭. আইনি অধিকার ও স্থায়ী অফিস সেবা:
সদস্যদের জন্য আইনগত সহায়তা ও স্বল্পমূল্যে ব্যবসার জন্য অফিস সুবিধা (ভাড়া/শেয়ার্ড স্পেস) চালু করব।
৮. সহজ শর্তে সদস্যদের ব্যাংক ঋণ সহায়তা:
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ে সহজ ও দ্রুত ঋণ প্রাপ্তিতে সহায়তা করব।
৯. ই–কমার্স হাব ও এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট ডেস্ক:
অঞ্চলভিত্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য “জোনাল ই–কমার্স হাব” গঠনের প্রচেষ্টা। ফুলফিলমেন্ট সুবিধাসহ “ই–কমার্স ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট ডেস্ক” প্রতিষ্ঠা।
১০. সেন্ট্রাল ই–কমার্স পার্ক গঠন:
দীর্ঘমেয়াদে ই–কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় মাপের সেন্ট্রাল ই–কমার্স পার্ক তৈরির পরিকল্পনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখব।
১১. ভ্যাট–ট্যাক্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম:
কর ও ভ্যাট নিয়ে সচেতনতা এবং সহায়তার জন্য একটি আলাদা সেল গঠন করব।